Friday, October 30, 2026

Top 5 This Week

Related Posts

ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধে প্রস্তুত রাশিয়া, তবে আমরা যুদ্ধ চাই না: পুতিন

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন যে, ইউরোপের সঙ্গে কোনো যুদ্ধে জড়াতে চায় না রাশিয়া। তবে সম্ভাব্য যেকোনো সংঘাতের জন্য মস্কো প্রস্তুত রয়েছে বলে তিনি সতর্ক করেছেন। ফিনল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট আলেক্সান্ডার স্টাব এবং নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইয়োনাস গার স্তোরের সঙ্গে ফোনালাপের পর তিনি এ মন্তব্য করেন। পুতিন বলেন, ‘আমরা প্রস্তুত, কিন্তু ইউরোপের সঙ্গে কোনো যুদ্ধ চাই না। তবে তাদের মধ্যে কেউ যদি যুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে চায়, তাহলে তারা তা নিতে পারে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলে কোনো পক্ষই বিজয়ী হবে না এবং ইউরোপীয় দেশগুলোর বিষয়টি ভুলে যাওয়া উচিত নয়। রুশ প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, রাশিয়ার কৌশলগত পরাজয় নিশ্চিত করার লক্ষ্য অর্জনে পশ্চিমা দেশগুলো ব্যর্থ হয়েছে। চলতি সপ্তাহের শুরুতে ফিনল্যান্ড ও নরওয়ের নেতাদের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়ে পুতিন জানান, ইউরোপীয় নেতারাই তাকে আলোচনার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তিনি এই আলোচনাকে সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেন। এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেও পুতিন একই ধরনের অবস্থান ব্যক্ত করে বলেছিলেন যে, ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ করার কোনো পরিকল্পনা রাশিয়ার নেই, তবে ইউরোপ যদি যুদ্ধ শুরু করে, তবে মস্কো তার মোকাবিলায় প্রস্তুত। এদিকে, পশ্চিমা দেশগুলোর পক্ষ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে রাশিয়ার সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাতের প্রস্তুতির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ব্রিটিশ প্রতিরক্ষামন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং সতর্ক করে বলেছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ব্রিটেনের শত্রুরা দেশটিতে হামলা চালানোর সক্ষমতা অর্জন করতে পারে। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতি এড়াতে আমাদের সেই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে। প্রথমত, আমাদের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে, যাতে প্রতিপক্ষরা আমাদের ওপর হামলা চালানোর আগে দুবার চিন্তা করে।’ অন্যদিকে, দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউক্রেনের সঙ্গে পরবর্তী দফার শান্তি আলোচনাকে কাজে লাগিয়ে পূর্ব ইউরোপে ন্যাটোর সম্প্রসারণ বন্ধে ছাড় আদায়ের পরিকল্পনা করছে রাশিয়া। পুতিন ন্যাটোর সম্প্রসারণকে ইউক্রেন যুদ্ধের মূল কারণ হিসেবে উল্লেখ করে আসছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুতিন ইউরোপে ন্যাটোর সামরিক উপস্থিতি কমানোর দাবি জানাতে পারেন, যার অর্থ হতে পারে পোল্যান্ড, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, লিথুয়ানিয়া ও ফিনল্যান্ড থেকে ন্যাটোর সেনা প্রত্যাহার। ইউরোপের সঙ্গে যুদ্ধ না চাওয়ার কথা বললেও, গত কয়েক মাসে বিভিন্ন ধরনের হাইব্রিড হামলা ও প্রতিবেশী দেশগুলোতে ড্রোন বিস্ফোরণের মাধ্যমে রাশিয়া ইউরোপীয় দেশ ও ন্যাটোর সক্ষমতা পরীক্ষা করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা প্রতিবেদনে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছিল যে, ন্যাটোর ঐক্য যাচাই করতে রাশিয়া জোটটির পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তে ছোট পরিসরের স্থল অভিযান বা সাইবার হামলা চালাতে পারে।

Article source: Ajker Patrika | Image credit: Ajker Patrika

Follow us on Instagram: @news.tringlobe
Follow WhatsApp channel: Tringlobe Media WhatsApp Channel
Join a WhatsApp group: Join Bangladesh WhatsApp group

Follow our Whatsapp channel
Like and follow us on Facebook
News Desk
News Desk
News Desk is the editorial publishing account for Tringlobe Media News, covering breaking news, public affairs, entertainment, community developments and regional stories across Trinidad and Tobago, the Caribbean and internationally.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Popular Articles

Click to listen highlighted text!