The key points are temporarily unavailable. You can still read the full Story below.
Main Points
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মা ইলিশ সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করেছে। ২১২টি অভিযান চালিয়ে নৌবাহিনী ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭০ মিটার অবৈধ জাল, ১৬৬ ধরনের জাল, চারটি বোট এবং ৫৭০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করেছে। জব্দকৃত সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৬১ কোটি ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৯০ টাকা, এবং ৬ হাজার টাকার জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানটি ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ (In Aid to Civil Power) কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়, যার উদ্দেশ্য জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। ৯টি জেলায় সাতটি জাহাজ ও বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের মাধ্যমে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হয়। গভীর সমুদ্রে দেশি‑বিদেশি মাছ ধরার নৌযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ রোধে নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নদ‑নদীতে ইলিশের প্রধান প্রজননক্ষেত্রে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইন‑শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। জব্দকৃত অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়, আর জাটকা স্থানীয় এতিমখানায় দান করা হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তি ও মাছ ধরার বোটগুলোকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার‑প্রচারণা চালানো হয়। অভিযানটি মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং দেশের ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ায় জেলেরা আবার স্বাভাবিকভাবে মাছ আহরণ ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন, যা দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার পথ সুগম করছে। Article source: Ajker Patrika | Image credit: Ajker Patrika
বাংলাদেশ নৌবাহিনী ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিনের একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মা ইলিশ সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য ফলাফল অর্জন করেছে। ২১২টি অভিযান চালিয়ে নৌবাহিনী ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭০ মিটার অবৈধ জাল, ১৬৬ ধরনের জাল, চারটি বোট এবং ৫৭০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করেছে। জব্দকৃত সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৬১ কোটি ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৯০ টাকা, এবং ৬ হাজার টাকার জরিমানা আদায় করা হয়েছে। অভিযানটি ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’ (In Aid to Civil Power) কাঠামোর অধীনে পরিচালিত হয়, যার উদ্দেশ্য জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করা। ৯টি জেলায় সাতটি জাহাজ ও বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের মাধ্যমে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হয়। গভীর সমুদ্রে দেশি‑বিদেশি মাছ ধরার নৌযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ ও নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ রোধে নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট ব্যবহার করা হয়। একই সঙ্গে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নদ‑নদীতে ইলিশের প্রধান প্রজননক্ষেত্রে অভিযান চালানো হয়। অভিযানের বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইন‑শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করা হয়। জব্দকৃত অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়, আর জাটকা স্থানীয় এতিমখানায় দান করা হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তি ও মাছ ধরার বোটগুলোকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার‑প্রচারণা চালানো হয়। অভিযানটি মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং দেশের ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ায় জেলেরা আবার স্বাভাবিকভাবে মাছ আহরণ ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন, যা দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার পথ সুগম করছে।
News Desk is the editorial publishing account for Tringlobe Media News, covering breaking news, public affairs, entertainment, community developments and regional stories across Trinidad and Tobago, the Caribbean and internationally.