The key points are temporarily unavailable. You can still read the full Story below.
Main Points
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে স্বল্পমেয়াদি কিন্তু শক্তিশালী সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিতে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কূটনৈতিক ও সামরিক চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো এই বার্তাগুলো ইরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করা অথবা দেশটির সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে টেক্সাস থেকে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী তাদের গোলাবারুদের মজুত পুনরায় পূরণ করছে এবং যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানগুলোকে হামলার প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী মাসে এই অঞ্চলে প্রায় ২০টি যুদ্ধজাহাজের বহরের সঙ্গে আরও একটি বিমানবাহী রণতরির স্ট্রাইক গ্রুপ এবং মেরিন সেনাদের একটি ইউনিট যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিলেও, নির্বাচনের পর ইরানের অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার দিকে তিনি ঝুঁকছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। গত সপ্তাহে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প ‘এপিক ফিউরি’ নামক একটি সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দেন। তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট সব ধরনের বিকল্প খোলা রেখেছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ইরানের ওপর পুনরায় হামলা চালানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সামরিক তৎপরতা ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ ও নৌ-অবরোধের কৌশল থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে বলেছেন, সামরিক হামলা ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে ব্যর্থ হতে পারে এবং উল্টো দেশটি তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতি আরও অনড় হয়ে উঠতে পারে। ইরান ইতিমধ্যে সতর্ক করে দিয়েছে যে, তাদের ওপর যেকোনো হামলার জবাবে পুরো অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক ও বেসামরিক স্থাপনায় কঠোর পাল্টা হামলা চালানো হবে। ইরান দাবি করেছে, আগের সংঘাতের পর তারা নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত পুনর্গঠন করেছে এবং নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যস্থতাকারীরা নতুন করে সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অনড় অবস্থানের কারণে আলোচনায় কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য একাধিক বিকল্প প্রস্তুত রাখা তাদের দায়িত্বের অংশ। Article source: Ajker Patrika | Image credit: Ajker Patrika
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের বিরুদ্ধে স্বল্পমেয়াদি কিন্তু শক্তিশালী সামরিক অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিতে উপসাগরীয় আরব দেশগুলোকে সতর্ক করেছে ওয়াশিংটন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কূটনৈতিক ও সামরিক চ্যানেলের মাধ্যমে পাঠানো এই বার্তাগুলো ইরানকে আলোচনায় বসতে বাধ্য করা অথবা দেশটির সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করার বৃহত্তর কৌশলের অংশ। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা শক্তিশালী করতে টেক্সাস থেকে অতিরিক্ত প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা পাঠানো হচ্ছে। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনী তাদের গোলাবারুদের মজুত পুনরায় পূরণ করছে এবং যুদ্ধবিমান ও বোমারু বিমানগুলোকে হামলার প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী মাসে এই অঞ্চলে প্রায় ২০টি যুদ্ধজাহাজের বহরের সঙ্গে আরও একটি বিমানবাহী রণতরির স্ট্রাইক গ্রুপ এবং মেরিন সেনাদের একটি ইউনিট যুক্ত হওয়ার কথা রয়েছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিলেও, নির্বাচনের পর ইরানের অবকাঠামো ও পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার দিকে তিনি ঝুঁকছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। গত সপ্তাহে এক নির্বাচনী সমাবেশে ট্রাম্প ‘এপিক ফিউরি’ নামক একটি সামরিক অভিযানের ইঙ্গিত দেন। তবে হোয়াইট হাউস এ বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি। এক বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে প্রেসিডেন্ট সব ধরনের বিকল্প খোলা রেখেছেন। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও ইরানের ওপর পুনরায় হামলা চালানোর পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই সামরিক তৎপরতা ট্রাম্প প্রশাসনের বর্তমান অর্থনৈতিক চাপ ও নৌ-অবরোধের কৌশল থেকে সরে আসার ইঙ্গিত দেয়। তবে অনেক বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে বলেছেন, সামরিক হামলা ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাতে ব্যর্থ হতে পারে এবং উল্টো দেশটি তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক কর্মসূচির প্রতি আরও অনড় হয়ে উঠতে পারে। ইরান ইতিমধ্যে সতর্ক করে দিয়েছে যে, তাদের ওপর যেকোনো হামলার জবাবে পুরো অঞ্চলজুড়ে অর্থনৈতিক ও বেসামরিক স্থাপনায় কঠোর পাল্টা হামলা চালানো হবে। ইরান দাবি করেছে, আগের সংঘাতের পর তারা নিজেদের ক্ষেপণাস্ত্র মজুত পুনর্গঠন করেছে এবং নতুন ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যস্থতাকারীরা নতুন করে সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক তৎপরতা চালালেও, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অনড় অবস্থানের কারণে আলোচনায় কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তর জানিয়েছে, যেকোনো পরিস্থিতির জন্য একাধিক বিকল্প প্রস্তুত রাখা তাদের দায়িত্বের অংশ।
News Desk is the editorial publishing account for Tringlobe Media News, covering breaking news, public affairs, entertainment, community developments and regional stories across Trinidad and Tobago, the Caribbean and internationally.