The key points are temporarily unavailable. You can still read the full Story below.
Main Points
দুই মহিলা কলেজে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাস দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন শূন্য পাস করা দুটি মহিলা কলেজে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ওই কলেজগুলো হলো পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ এবং সাঘাটা উপজেলির জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ। ফকিরহাট মহিলা কলেজে দুইজন শিক্ষার্থী এবং জুমারবাড়ী মহিলা কলেজে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন, কিন্তু কেউই পাস করতে পারেননি। ফকিরহাট মহিলা কলেজের ফলাফল বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ গত তিন বছর ধরে এই কলেজের কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি। একই সময়ে, উভয় কলেজই এখনও এমপিও (মিনিস্ট্রি অফ প্রাইভেট এডুকেশন) নিবন্ধন পায়নি। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ফকিরহাট মহিলা কলেজে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র পাঠদানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, কিন্তু এমপিও নিবন্ধন না হওয়ায় শিক্ষকরা বেতনহীন অবস্থায় পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে অনেক শিক্ষক প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেছেন, যা পাঠদানের মানকে প্রভাবিত করছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ডের অধীন ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এই ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গাইবান্ধার অঞ্চলের দুটি মহিলা কলেজও অন্তর্ভুক্ত। ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবর রহমান রশিদ বলেন, “এই বছর মানবিক বিভাগ থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দুজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের কেউই পাস করেননি। ২০০০ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত শুধু পাঠদানের অনুমোদন পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি আজও এমপিওভুক্ত হয়নি। অনেক শিক্ষকই এমপিওভুক্তির আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এ কারণে তাঁরা প্রতিষ্ঠানে আসেন না। তাঁদেরও তো সংসার আছে। বিনা বেতনে কত দিন পড়াবেন? শিক্ষকদের এমন পরিস্থিতির কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ভালো ফলাফল করা সম্ভব হচ্ছে না।” জুমারবাড়ী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পাওয়া যায়নি। এই ফলাফল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং শিক্ষা বোর্ডকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। Article source: Ajker Patrika | Image credit: Ajker Patrika
দুই মহিলা কলেজে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় শূন্য পাস দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীন শূন্য পাস করা দুটি মহিলা কলেজে ২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ওই কলেজগুলো হলো পলাশবাড়ী উপজেলার ফকিরহাট মহিলা কলেজ এবং সাঘাটা উপজেলির জুমারবাড়ী মহিলা কলেজ। ফকিরহাট মহিলা কলেজে দুইজন শিক্ষার্থী এবং জুমারবাড়ী মহিলা কলেজে একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন, কিন্তু কেউই পাস করতে পারেননি। ফকিরহাট মহিলা কলেজের ফলাফল বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ গত তিন বছর ধরে এই কলেজের কোনো শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হননি। একই সময়ে, উভয় কলেজই এখনও এমপিও (মিনিস্ট্রি অফ প্রাইভেট এডুকেশন) নিবন্ধন পায়নি। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ফকিরহাট মহিলা কলেজে এখন পর্যন্ত শুধুমাত্র পাঠদানের অনুমোদন পাওয়া গেছে, কিন্তু এমপিও নিবন্ধন না হওয়ায় শিক্ষকরা বেতনহীন অবস্থায় পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছেন। ফলে অনেক শিক্ষক প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করেছেন, যা পাঠদানের মানকে প্রভাবিত করছে। দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় বোর্ডের অধীন ৪৯টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। এই ৪৯টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে গাইবান্ধার অঞ্চলের দুটি মহিলা কলেজও অন্তর্ভুক্ত। ফকিরহাট মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ মাহবুবর রহমান রশিদ বলেন, “এই বছর মানবিক বিভাগ থেকে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে দুজন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের কেউই পাস করেননি। ২০০০ সালে কলেজটি প্রতিষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত শুধু পাঠদানের অনুমোদন পাওয়া গেছে। প্রতিষ্ঠানটি আজও এমপিওভুক্ত হয়নি। অনেক শিক্ষকই এমপিওভুক্তির আশা ছেড়ে দিয়েছেন। এ কারণে তাঁরা প্রতিষ্ঠানে আসেন না। তাঁদেরও তো সংসার আছে। বিনা বেতনে কত দিন পড়াবেন? শিক্ষকদের এমন পরিস্থিতির কারণে পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে। ফলে ভালো ফলাফল করা সম্ভব হচ্ছে না।” জুমারবাড়ী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি পাওয়া যায়নি। এই ফলাফল শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়িয়েছে এবং শিক্ষা বোর্ডকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
News Desk is the editorial publishing account for Tringlobe Media News, covering breaking news, public affairs, entertainment, community developments and regional stories across Trinidad and Tobago, the Caribbean and internationally.