The key points are temporarily unavailable. You can still read the full Story below.
Main Points
অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে মণিপুরের মোহনগঞ্জে বসতঘরে আক্রমণ মোহনগঞ্জে বসতঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে শিকারের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ৩৯‑বছর বয়সী হেপি আক্তার, শুকদেবপুর গ্রাম, লাল মিয়ারের কন্যা, বৃহস্পতিবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে একই গ্রাম থেকে ৪২‑বছর বয়সী কামাল হোসেন, তার ভাই সেলোয়ার হোসেন (৪৫), মোফাজ্জল (৩৮), ভাতিজা আলীম (২৬) এবং বারহাট্টা উপজেলির কন্দাপাড়া গ্রাম থেকে বিল্লাল হোসেনকে নাম করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ৬‑৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের পটভূমি হেপি আক্তার ও তার পরিবারের সাথে কামাল হোসেনের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমি ও অন্যান্য বিষয়ে বিরোধ চলছিল। ২২ সেপ্টেম্বর হেপি আক্তারকে কামালসহ অন্যদের দ্বারা মারধর করে আহত করার অভিযোগ ওঠে। হেপির স্বামী পরদিন থানায় কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগের পরবর্তী ঘটনা গত রবিবার মামলাটি আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে অভিযুক্তরা হেপি ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেন। এরপর মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে কামাল হোসেন ও তার লোকজন দেশি অস্ত্র নিয়ে হেপির বাড়িতে ঢুকে দরজা‑জানালা ভেঙে পুরোনো একটি বসতঘরে আগুন ধরান। হেপি আক্তার জানিয়েছেন যে এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ফলস্বরূপ, হেপি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শুকদেবপুর গ্রামে হেপি ও তার বাবা লাল মিয়ার সন্ধান করা হয়, কিন্তু তাদের বাড়ি তালাবদ্ধ ছিল। প্রতিবেশী আব্দুল বারেক জানান, আগুনের পর থেকে পরিবারটি বাড়িতে নেই এবং কোথায় গেছেন তা অজানা। অভিযুক্তের বক্তব্য কামাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “পুরো অভিযোগই মিথ্যা। আমরা আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত নই। প্রতিহিংসাবশত আমাদের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে সামান্য বিরোধ রয়েছে” এবং “হেপি আক্তারকে তারা মারধর করেননি।” হেপি ও তার পরিবারকে তিনি বলেন, “পলাতক নয়, তারা আত্মীয়ের বাড়িতে আছেন।” পুলিশের প্রতিক্রিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলাম হরুন জানান, “এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” Article source: Ajker Patrika | Image credit: Ajker Patrika
অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে মণিপুরের মোহনগঞ্জে বসতঘরে আক্রমণ মোহনগঞ্জে বসতঘরে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে শিকারের পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। ৩৯‑বছর বয়সী হেপি আক্তার, শুকদেবপুর গ্রাম, লাল মিয়ারের কন্যা, বৃহস্পতিবার বিকেলে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে একই গ্রাম থেকে ৪২‑বছর বয়সী কামাল হোসেন, তার ভাই সেলোয়ার হোসেন (৪৫), মোফাজ্জল (৩৮), ভাতিজা আলীম (২৬) এবং বারহাট্টা উপজেলির কন্দাপাড়া গ্রাম থেকে বিল্লাল হোসেনকে নাম করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাতনামা ৬‑৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। অভিযোগের পটভূমি হেপি আক্তার ও তার পরিবারের সাথে কামাল হোসেনের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে জমি ও অন্যান্য বিষয়ে বিরোধ চলছিল। ২২ সেপ্টেম্বর হেপি আক্তারকে কামালসহ অন্যদের দ্বারা মারধর করে আহত করার অভিযোগ ওঠে। হেপির স্বামী পরদিন থানায় কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা করেন, যা বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন। অভিযোগের পরবর্তী ঘটনা গত রবিবার মামলাটি আপসের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করতে অভিযুক্তরা হেপি ও তার পরিবারের সদস্যদের হুমকি দেন। এরপর মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে কামাল হোসেন ও তার লোকজন দেশি অস্ত্র নিয়ে হেপির বাড়িতে ঢুকে দরজা‑জানালা ভেঙে পুরোনো একটি বসতঘরে আগুন ধরান। হেপি আক্তার জানিয়েছেন যে এতে প্রায় তিন লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ফলস্বরূপ, হেপি ও তার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় ভুগে বাড়ি ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে শুকদেবপুর গ্রামে হেপি ও তার বাবা লাল মিয়ার সন্ধান করা হয়, কিন্তু তাদের বাড়ি তালাবদ্ধ ছিল। প্রতিবেশী আব্দুল বারেক জানান, আগুনের পর থেকে পরিবারটি বাড়িতে নেই এবং কোথায় গেছেন তা অজানা। অভিযুক্তের বক্তব্য কামাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “পুরো অভিযোগই মিথ্যা। আমরা আগুন দেওয়ার ঘটনায় জড়িত নই। প্রতিহিংসাবশত আমাদের ওপর দোষ চাপানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “জমি নিয়ে আমাদের সঙ্গে সামান্য বিরোধ রয়েছে” এবং “হেপি আক্তারকে তারা মারধর করেননি।” হেপি ও তার পরিবারকে তিনি বলেন, “পলাতক নয়, তারা আত্মীয়ের বাড়িতে আছেন।” পুলিশের প্রতিক্রিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাফিজুল ইসলাম হরুন জানান, “এই ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগটি তদন্ত করে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
News Desk is the editorial publishing account for Tringlobe Media News, covering breaking news, public affairs, entertainment, community developments and regional stories across Trinidad and Tobago, the Caribbean and internationally.