আবু বকর সিদ্দিক, যিনি ২১ অক্টোবরকে রাজশাহী মহানগর পুলিশের যৌথ অভিযান চলাকালে পবা থানার ঘোল হাঁড়িয়া‑দক্ষিণপাড়া এলাকার একটি বাসা থেকে আটক হন, তার বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী মামলা দায়ের করা হয়েছে। সন্দেহভাজনকে ২৩ অক্টোবর ডিবি‑সাইবার ও স্পেশাল ক্রাইম (উত্তর) বিভাগের অর্গানাইজড ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন টিমের উপপরিদর্শক (এসআই) মানিক হোসেন রমনা থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ পেশ করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে যে, ২১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৫টায় ডিবি‑পুলিশের নজরদারিতে “দা বিউটি অব রাজশাহী” নামের ফেসবুক গ্রুপে “মাইশা আনজুম” আইডি থেকে পোস্ট করা প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) বাসের ছবি দেখা যায়। সেই পোস্টের মন্তব্যে “মো আবু বক্কর সিদ্দিক” নামের ফেসবুক আইডি থেকে লেখা হয়: > “ইস একটা বড় সুযোগ ছিল, শুধু একটা স্নাইপার এর অভাব ছিলো।” এই মন্তব্যটি আবু বকর সিদ্দিকের ফেসবুকে প্রকাশিত হয় বলে ডিবি‑পুলিশের তথ্যপ্রযুক্তি সহায়তায় তার অবস্থান শনাক্ত করে তাকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তারের সময় তার স্মার্টফোন জব্দ করা হয়। সন্দেহভাজনের বাবা মো আয়নাল হককে একই সময়ে আটক করা হয়, পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। আবু বকর সিদ্দিক ২৩ অক্টোবরকে ৭ দিনের রিম্যান্ডে নিয়ে আদালতে হাজির হন। ২৫ অক্টোবরকে আবার রিম্যান্ডে নেওয়া হয়। রবিবার, ২৭ অক্টোবর, ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালতে তিনি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে তিনি স্বীকার করেন যে, ফেসবুকে “একটা স্নাইপার থাকলেই হতো” মন্তব্যটি তিনি মজা করে লিখেছিলেন। আদালত তার জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। আদালতের আদেশে আবু বকর সিদ্দিককে ২৩ অক্টোবর কারাগারে পাঠানো হয়। মামলাটি সন্ত্রাসবিরোধী আইন অনুযায়ী চলমান রয়েছে।
Article source: Ajker Patrika | Image credit: Ajker Patrika